× UCB Sticker Card
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৩৮ এএম

কাদাযুক্ত বালু দিয়ে রাস্তা ভরাট, স্থানীয়দের ক্ষোভ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৩৮ এএম

কাদাযুক্ত বালু দিয়ে রাস্তা ভরাট, স্থানীয়দের ক্ষোভ

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে এলজিইডির দুটি রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদাররা সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে ফসলি জমি ও পুকুর থেকে কাঁদাযুক্ত বালু উত্তোলন করে রাস্তা ভরাটের কাজ চালাচ্ছেন। ফলে নতুন এই রাস্তাগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বটতলী গ্রামের বটতলী মাদ্রাসা থেকে জমাদারবাড়ি ও আব্দুল হক বেপারীবাড়ির সামনে দিয়ে দত্তপাড়া-মান্দারী সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। প্রায় ১ কিলোমিটার ও ৯৫০ মিটারের দুটি সড়কের কাজ দুজন ঠিকাদার করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার আবুল বাশার (বসু কোম্পানি) এবং করিম ও রিপন সিন্ডিকেট অধিক লাভের আশায় নিয়ম ভেঙে পাশের ফসলি জমি ও পুকুর থেকে কাঁদাযুক্ত বালু তুলে রাস্তা ভরাটের কাজে ব্যবহার করছেন।

অভিযুক্ত ঠিকাদার আবুল বাশার বসু কোম্পানি দাবি করেছেন, অল্প কিছু কাদাযুক্ত বালু ফেললেও এখন থেকে ভালো বালু ব্যবহার করা হবে। তবে আরেক অংশীদার রিপন হাসানের দাবি, ‘কাদামাটি দিলে রাস্তা শক্ত হয়, তাই আমাদের জমি থেকেই বালু তুলে কাজ করছি। বিষয়টি প্রকৌশলীরাও জানেন।’

স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি বরাদ্দে পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য ফ্রেশ বালু ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও ঠিকাদাররা অনিয়ম করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পথ বেছে নিয়েছেন। এতে রাস্তাটি টেকসই হবে না এবং অল্পদিনেই তা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসী এই অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে কাদাযুক্ত বালুর কারণে রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং অবৈধ ড্রেজিংয়ের ফলে আশপাশের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী কেশব চন্দ্র দের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!