বগুড়ার শেরপুরে সরকারি রাস্তার পাশে ঝড়ে উপড়েপড়া পাঁচটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম ওই গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবদলের একজন সক্রিয় সদস্য। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মজিবর রহমান তাকে ফাঁসানোর জন্য তার নাম ব্যবহার করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে রাতে প্রবল ঝড়ে মাগুরগাড়ী এলাকার রাস্তার মাথায় পাঁচটি বড় ইউক্যালিপটাস গাছ উপড়ে পড়ে। এরপর ঈদের ছুটির সময় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ থাকার সুযোগে গাছগুলো কেটে সরিয়ে নেওয়া হয়। এলাকাবাসীর দাবি, কেটে নেওয়া ওই পাঁচটি গাছের বাজারমূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা। প্রথমে গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেওয়ার কথা বলা হলেও পরে তা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে অভিযুক্তের বাড়িতে কাটা গাছের কিছু অংশ পাওয়া যায় বলেও স্থানীয়রা দাবি করেন। অভিযোগের বিষয়ে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি গাছ কাটিনি। ইউপি সদস্য মজিবর রহমান নিজেই গাছ কেটেছেন এবং এখন আমার নাম দিচ্ছেন। আমি শুধু ঘটনাস্থলে ছিলাম।’ অন্যদিকে ইউপি সদস্য মজিবর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত নই। আরিফুল ইসলামই গাছ কেটে এখন আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’
মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি রাস্তার গাছ কেটে নেওয়ার বিষয়টি আমরা জেনেছি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আরিফুল ইসলামই গাছগুলো কেটে নিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা ফরেস্ট রেঞ্জার সালাউদ্দিন পারভেজ জানান, ঘটনাটি তার জানা ছিল না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন