× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০২:০৫ এএম

প্রতিবাদে বাধা ও হামলার চেষ্টা

মৎস্য প্রজেক্ট দখল করে ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০২:০৫ এএম

মৎস্য প্রজেক্ট দখল করে ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চান্দু মার্কেট এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি মৎস্য প্রজেক্ট জবরদখল করে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এ ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনেও বাধা প্রদান ও হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রজেক্ট মালিক ভুক্তভোগী মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল জানান, ১৯৯৫ সাল থেকে চান্দু মার্কেট-সংলগ্ন ২ একর ৫০ শতাংশ পুকুরটি তিনি ভোগদখল করে মৎস্য চাষ করে আসছেন। ২০০৫ সালে সরকার থেকে বন্দোবস্ত নেওয়া এই জমিতে তিনি নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করছেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রজেক্টটি পাঁচ বছরের জন্য লিজ নেন স্থানীয় খামারি শের আলী।

প্রজেক্ট লিজ অংশগ্রহণকারী শের আলী জানান, সম্প্রতি স্থানীয় নোমান, রুবেল, হেদায়েত, বায়োজিদ, মামুন ও আইয়ুবসহ কয়েকজনের একটি চক্র তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৯ জুন সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জোরপূর্বক প্রজেক্টটি দখল করে নেয়। এরপর থেকে দফায় দফায় জাল টেনে প্রজেক্ট থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট করা হয়েছে।

এ ঘটনায় চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। আইনি সহায়তা না পেয়ে গত শুক্রবার বিকেলে চান্দু মার্কেট এলাকায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও প্রজেক্ট উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আয়োজনের সময় স্থানীয় কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা মানববন্ধনে বাধা দেয় এবং সাংবাদিকদের সামনেই হামলা চালানোর চেষ্টা করে। পরে আতঙ্কিত ভুক্তভোগীরা বাধ্য হয়ে নিকটস্থ জোবায়ের বাজারে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অস্বীকার করে চরজব্বর থানার ওসি রফিকুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য এসআই আশ্রাফুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় কাজে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, প্রজেক্টটি দখল হওয়ার পর থেকে সেখানে কর্মরত শতাধিক মানুষের জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, প্রজেক্ট উদ্ধার এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!