চুয়াডাঙ্গায় শিশু মরিয়ম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদ- সাজাপ্রাপ্ত আবুল হোসেন ফটিক জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের বড় মসজিদ পাড়ার আবু তাহেরের ছেলে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গ্রামের হাড়িভাঙ্গা মাঠে শিশু মরিয়মসহ ৪ শিশু মিলে শাক তুলতে যায়। এ সময় অজ্ঞাত পরিচয় এক ভ্যানচালক শিশু মরিয়মকে ভুট্টা খেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ শেষে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর দিন নিহতের পিতা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় ইটভাটার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি আবুল হোসেন ফটিককে শনাক্তের পর চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর আবুল হোসেন ফটিককে অভিযুক্ত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ৩১ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম অভিযুক্তকে মৃত্যুদ- প্রদান করেন। এ ছাড়াও আসামিকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। পুলিশ পাহারায় তাকে জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন