রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


সাভার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০২:৫৩ এএম

প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি

সাভার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০২:৫৩ এএম

প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ  গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি

সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন পরিশোধের কথা বলে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ধর্ষণকারীকে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় থানা ভবনের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

স্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও সর্বস্তরের জনতার ব্যানারে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রায় দুই শতাধিক উলামায়ে কেরাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে এ সময় তারা ধর্ষণকারী নুরুল ইসলাম ও তার সহযোগী তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে শ্রীপুর তালটেকী দারুণ নাজাত মহিলা মাদ্রাসার এক সাবেক শিক্ষিকাকে তার বকেয়া বেতন পরিশোধের কথা বলে মাদ্রাসায় ডাকেন ওই মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল নুরুল ইসলাম। পরে তাকে বেতন দেওয়ার কথা বলে পাশর্^বর্তী সুবন্দী ফাতেমাতুজ জোইরা মহিলা মাদ্রাসায় নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক তাজুল ইসলামের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী নারীকে একটি কক্ষে আটকে ধর্ষণ করেন নুরুল ইসলাম। পরে দীর্ঘ সময় তাকে রুমে তালাবদ্ধ করে রাখেন এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

আশুলিয়া থানার ওসি আবদুল হান্নান জানান, গত ৯ নভেম্বর ভুক্তভোগী শিক্ষিকা আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ মামলার এজাহারে দুজনকে আসামি করা হলেও আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ করা হয়েছিল। সালিশ মনের মতো না হওয়ায় মামলা করতে দেরি হয়। এ সময়ের মধ্যে আসামিরা পালিয়ে যায়। তবে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!