× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৬:০৬ পিএম

ঠিকাদারের জামানতের টাকা কেটে রাখলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৬:০৬ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাজ শেষে ঠিকাদারের জামানতের ৮ হাজার টাকা রেখে দিয়েছেন উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর জব্বার।

সূত্র জানায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রিতু ট্রেডার্স ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকার ফুলবাড়িয়া মহিলা কলেজের ড্রেন নির্মাণ কাজ পায়। ২০২৪ সালের ২৩ মে কাজটি পৌরসভাকে হস্তান্তর করার পর চূড়ান্ত বিল গ্রহণ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নিয়ম অনুযায়ী, কাজ শেষ হলেও এক বছরের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মোট খরচের ১০ শতাংশ হারে জামানত জমা রাখতে হয়। এক বছর কাজের কোনো ক্রুটি না থাকলে জামানতের পুরো টাকা ঠিকাদারকে ফেরত দিতে হয়।

কাজ সমাপ্তের এক বছর পর, ২০২৫ সালের মে মাসে জামানতের ৫২ হাজার ৯৫৮ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী টাকা ফেরত না দিয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন। পরে বিভিন্ন চেষ্টা ও তদবিরের পর, ৪ ডিসেম্বর তিনি ৫২ হাজার ৯৫৮ টাকার মধ্যে ৮ হাজার টাকা রেখে ৪৪ হাজার ৯৫৮ টাকার চেক দেন ঠিকাদারকে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবত আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে ঠিকাদারি করে আসছি। আগে কোনো প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটেনি। পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর জব্বার জামানতের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত না দিয়ে নিয়ম ভেঙে কেটে দিয়েছেন। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি, আমার জামানতের বাকি টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়া হোক এবং এই দুর্নীতিপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

এ বিষয়ে জানতে ফুলবাড়িয়া পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর জব্বারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করলেও, কোনো নোটিস ছাড়াই টাকা কেটে রাখার কারণ জানতে চাইলে ব্যস্ত থাকার উল্লেখ করে লাইন কেটে দেন।

ফুলবাড়িয়া সহকারী প্রকৌশলী লুৎফুল ইসলাম এর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে জানতে চেয়েছিলেন, ‘এই নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে কি না।’ হোয়াটসঅ্যাপ আছে জানালে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে আধা ঘণ্টা পরে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করব।’ 

পরে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে বলেন, ওই ঠিকাদারের কাজে ক্রুটি ছিল, তাই টাকা কেটে রাখা হয়েছে।

টাকা কেটে রাখার বিষয়ে ঠিকাদারকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।’

সরকারি কাজে মৌখিক নোটিসের অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন, ‘মৌখিকভাবে জানানোর কোনো নিয়ম নেই।’ নোটিস ছাড়া টাকা কেন কেটে রাখা হয়েছে, এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

Link copied!