× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৫:০৩ পিএম

নবগঙ্গার বুকে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৫:০৩ পিএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের রিশখালী পান্তাপাড়া গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নবগঙ্গা নদীর একটি অংশে বাঁধ সৃষ্টি করে মাছ চাষ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নদীনির্ভর জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রিশখালী বাজার এলাকায় নবগঙ্গা নদীর ওপর একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান। ব্রিজ নির্মাণের সুবিধার্থে নদীর একাংশে অস্থায়ী রাস্তা নির্মাণ করায় নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে সেখানে কার্যত একটি বাঁধের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে নদীর অপর অংশে বাঁশ, শক্ত বেড়া ও জাল দিয়ে ঘিরে মাছ চাষ করছেন একই এলাকার মো. আলমগীর হোসেনসহ আরও চার জন।

নদীতে স্বাভাবিক স্রোত না থাকায় ওই বাঁধ মাছ চাষে সহায়ক ভূমিকা রাখছে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে এতে বিপাকে পড়েছেন নদীর ওপর নির্ভরশীল জেলে সম্প্রদায়। বাঁধমুক্ত অংশে ডিঙি নৌকায় মাছ ধরতে দেখা যায় শংকর নামের এক জেলেকে। তিনি বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় আগের মতো মুক্তভাবে মাছ ধরতে পারছেন না তারা। দৈনিক খুব সামান্য পরিমাণ মাছ ধরেই কোনোরকমে জীবিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে।



নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, নবগঙ্গা নদীতে বাঁধ তৈরি করে আলমগীর হোসেন মাছ চাষ করছেন—বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানেন। এতে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নদী ব্যবহারের অধিকারও ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে জানতে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের নিকট ফোন করলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ‘আমরা নদীতে বাঁধ দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। মৎস্য বিভাগকে সাথে নিয়ে আমরা ওই স্থানটি পরিদর্শন পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!