× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

যশোরে ১০ জনের মৃত্যু নিয়ে যা বললেন তত্ত্বাবধায়ক

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

গত ২৪ ঘণ্টায় যশোরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু অস্বাভাবিক এবং ৯ জনের মৃত্যু স্বাভাবিক বলে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, মৃত ১০ জনের কেউই শীতজনিত রোগে মারা যাননি।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (৮ ও ৯ জানুয়ারি) মোট ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তারা হলেন: যশোর নতুন উপশহর এলাকার হাসিবুর রহমানের স্ত্রী মনিরা খাতুন (৬৪), খালধার রোড এলাকার মোর্শেদ আলীর ছেলে জুলফিকার আলী (৪৫), চাচড়া এলাকার আব্দুল জব্বার গাজীর স্ত্রী সাবিরননেছা (৬৫), মুড়লী মোড়ের জয়নাল আবেদীনের ছেলে সদরুল আলম (৬৩), শার্শা উপজেলার গোগা গ্রামের মৃত গয়রাতুল্লাহর ছেলে শাহাজাহান কবীর (৭০), ঝিকরগাছা উপজেলার কালিতলা এলাকার মোশারফ হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫৫), ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার দুলাল মুন্দিয়া গ্রামের আইনাল হকের স্ত্রী সুখজান নেছা (৬৫), বারবাজার এলাকার মান্দার লসকারের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৫), মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া এলাকার আব্দুল করিমের স্ত্রী মাজেদা (৭৫) এবং নড়াইল সদর উপজেলার দলজিতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ মুন্সীর ছেলে মহিউদ্দিন মুন্সী (৭৭)।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বজলুর রশিদ টুলু জানান, হাসপাতালের সব ওয়ার্ডে খোঁজ নিয়ে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে শীতে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার জোবায়ের আহমেদ তাকে নিশ্চিত করেছেন যে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ১০ জনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মৃত অবস্থায় আনা হয়। তাদের মধ্যে কেউই শীতজনিত রোগে মারা যাননি।

হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গৌতম কুমার আচার্য্য জানান, শীতের কারণে হাসপাতালে কিছু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত কারো মৃত্যু হয়নি।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এবং প্রত্যেককে মৃত অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। শীতজনিত রোগে ১০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি সঠিক নয় এবং এটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যশোরে এখনো মানুষ মারা যাওয়ার মতো তীব্র শীত শুরু হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যশোরের সিভিল সার্জন মাসুদ রানা জানান, শীতজনিত রোগীর বিষয়ে প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

শুক্রবার রাত পর্যন্ত যশোর জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য সরকারিভাবে তাকে জানানো হয়নি। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় শীতে ১০ জনের মৃত্যুর বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এমন ঘটনা ঘটলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে অবশ্যই অবহিত করত। একজন মেডিকেল অফিসারের রেফারেন্সে এ ধরনের সংবাদ প্রচার করা যুক্তিযুক্ত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, টানা ১৫ দিন ধরে যশোরে শীতের দাপট চলছে। হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন জবুথুবু হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে টানা তিন দিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর বুধবার প্রথম সূর্যের দেখা মেলে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ঝলমলে রোদ ছিল। শুক্রবার যশোর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১১ দিনের মধ্যে পাঁচ দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে রেকর্ড করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!