× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

পাওনা টাকার জন্য ইয়াবা সেবনে ডেকে ছাত্রলীগ কর্মীকে হত্যা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

অভিযুক্ত সাহেদ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

অভিযুক্ত সাহেদ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ কর্মী ফজলে রাব্বি বাবু (২১) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। পাওনা টাকার জন্য ইয়াবা সেবনের ছলে তাকে ডেকে নিয়ে মুগুর দিয়ে আঘাত ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় হত্যাকারী মো. শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি মাহফুজুর রহমান ওরফে কানা মাহফুজকে গ্রেপ্তারের জন্য খুঁজছে পুলিশ।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার শাহেদ হাজিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের মৃত আবুল বাশারের ছেলে। তিনি ১১ মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন। পলাতক আসামি মাহফুজ একই এলাকার বাসিন্দা। নিহত রাব্বি ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মী ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, গত ১৭ জানুয়ারি রাতে রাব্বি নিখোঁজ হয়। পরদিন তার বাবা বেলাল হোসেন চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার তদন্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর তত্ত্বাবধানে চন্দ্রগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ শুরু করে।

স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শাহেদ ও মাহফুজকে সন্দেহ করা হয়। পরে রাজধানীর দোহার এলাকা থেকে শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চন্দ্রপ্রবাহবাঘ গ্রামের একটি টয়লেটের সেফটি ট্যাংকের ভিতর থেকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় রাব্বির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে শাহেদ হত্যার রহস্য উন্মোচিত করে।

শাহেদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাব্বি, মাহফুজ ও শাহেদ একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করত। এর মধ্যে রাব্বির কাছ থেকে মাহফুজ টাকা পেত, কিন্তু সে টাকা দিচ্ছিল না। এজন্য মাহফুজ ও শাহেদ পরিকল্পনা করে রাব্বিকে মেরে তার মোটরসাইকেল বিক্রি করে টাকা উত্তোলন করতে চায়। এজন্য স্থানীয় একটি মসজিদের সামনে তারা পরিকল্পনা করে। ঘটনার দিন বিকেলে তারা একত্র হয়ে রাব্বিকে ইয়াবা সেবনের জন্য ডাকে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, শাহেদ মোবাইল ফোনে রাব্বিকে ডেকে চন্দ্রপ্রবাহবাঘ গ্রামে দিঘির পাড়ে নিয়ে আসে। সেখানে আগ থেকে অবস্থান করা মাহফুজ মুগুর দিয়ে রাব্বির মাথায় আঘাত করে। রাব্বি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, পরে চাদর দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে গলা চেপে ধরে হত্যা করা হয়। এরপর শাহেদ ও মাহফুজ তার মোটরসাইকেল, ঘড়ি ও মোবাইল নিয়ে যায়। মোটরসাইকেল চোরাই বিক্রির জন্য ওমর ফারুকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হত্যার প্রমাণ লোপাটের জন্য রাব্বির জুতা, চাদর ও বোতল পুড়িয়ে ফেলা হয়। মরদেহ পরে ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, গ্রেপ্তার শাহেদের তত্ত্ব অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত মুগুর উদ্ধার করা হয়েছে। ফারুক মোটরসাইকেল বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি মাহফুজকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Link copied!