× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

কলেজের নিয়োগ সংক্রান্ত তদন্ত নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে শিক্ষকরা

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে হট্টগোল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে হট্টগোল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার ঐতিহ্যবাহী তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ সংক্রান্ত তদন্তকে কেন্দ্র করে বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে হট্টগোল, মারমুখী আচরণ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর উপজেলা পরিষদ চত্বরের কৃষি অফিস ও প্রশাসন অফিসের সামনে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় কলেজ শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন, কলেজ শিক্ষক কবিরকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। তদন্তের জন্য বাদী আব্দুস সালাম সরেজমিনে কলেজে গিয়ে নির্বাহীর দপ্তরে লিখিত আবেদনও করেন।

জানা গেছে, তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ দেয়ার আগে প্রায় কোটি টাকার লেনদেন এবং জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নজরুল ইসলামকে পদায়ন করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক ও নির্বাহীর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল।

অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার ও কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় তদন্ত শুরু হওয়ার আগে অফিসের নিচে রাস্তায় নিয়োগের পক্ষের শিক্ষক ও বিপক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে মারমুখী আচরণ এবং মব সৃষ্টি হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ হোসেনসহ স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষক।

বাদী আব্দুস সালাম জানান, গত বুধবার তাঁকে তদন্তের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় উপস্থিত হওয়ার জন্য তাঁকে কৃষি অফিসে ডাকা হলেও তিনি সরেজমিনে তদন্তের আবেদন নিয়ে যান। কিন্তু কৃষি অফিসার জানান, ইউএনওর নির্দেশে আবেদন গ্রহণ করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে তিনি ইউএনওর দপ্তরে আবেদন জমা দেন।

শিক্ষক কবির ও মুখলেস জানান, কলেজ বর্তমানে ছুটি। ঘরে বসে এসব তদন্ত করা সম্ভব নয়। নিয়োগের সঙ্গে যারা জড়িত তারা নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে পড়েছে। তারা চান, নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে দেওয়া হোক।

শিক্ষক প্রতিনিধি ও সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোনো ধরনের টাকা-পয়সা লেনদেন বা জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করা হয়নি। সালামের অভিযোগ সময়মতো বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার জানিয়েছেন, বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী রবিবার শোনানির দিন ধার্য করা হবে। অনুপস্থিত থাকলে ওই দিন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!