× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

প্রতি লাখে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

নীলফামারী সদর উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতি লাখ টাকায় ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আসলে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ইউপি সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন।

অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের টি.আর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের রাস্তা-ঘাট সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইউপি সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়ার সময় প্রতিটি প্রকল্প থেকে লাখে ২০ হাজার টাকা করে নেন তিনি। এ ছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৪০০টি কার্ড নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ইউপি সদস্যরা।

ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য বিলকিস বেগম বলেন, ‘আমাকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। কাজটি শেষ করেছি, কিন্তু এখনো বিল পাইনি। কাজ দেওয়ার সময় প্রশাসক স্যার অগ্রিম ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন।’

আরেক সংরক্ষিত নারী সদস্য চম্পা রানী বলেন, ‘প্রশাসক স্যার যে সদস্যকে প্রকল্প দিয়েছেন, তার কাছ থেকেই টাকা নিয়েছেন। আমাকেও ২ লাখ ৬৩ হাজার টাকার একটি প্রকল্প দিয়েছেন। এর জন্য আমার কাছ থেকেও ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এটা নাকি তার প্রাপ্য।’

ইউপি সদস্য মশিউর রহমান বলেন, ‘টি.আর, কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পের জন্য প্রতি লাখে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। আমিও তাকে দিয়েছি টাকা। এ ছাড়া ভিজিএফ চালের ৪০০টি কার্ড তিনি নিজের কাছে রেখেছেন। সেগুলো কী করবেন, আমাদের কিছুই বলেনি।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘মেম্বারদের সঙ্গে আমার কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি। কেউ বলতে পারবে না যে আমি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আজ আমাকে অবরুদ্ধ করা হয়নি, সবাই মিলে কিছু কথা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগগুলোর বিষয়ে আগে জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Link copied!