পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি, অফিস ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঈশ্বরদী শহরের রেলগেট এবং পোস্ট অফিস মোড়সহ আশপাশের এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসানের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তবে জেলা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। নেতাকর্মীদের মারধর, অফিস ভাঙচুর, লুটপাটসহ নানা অভিযোগ এনে হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের সমর্থকেরা সংবাদ সম্মেলন করে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। একই সময় মেহেদী হাসানের কর্মী-সমর্থকেরা রেলগেট এলাকায় মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় রেলগেট এলাকায় দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। তারা পুলিশের সহায়তায় একতরফাভাবে আমার সমর্থকদের ওপর হামলা করেছে, গুলি চালিয়েছে এবং আমার নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করেছে।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান বলেন, উভয় গ্রুপ শহরে মিছিল বের করে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা ছিল, হাবিব গ্রুপের সমর্থকেরা থানার সামনে থেকে ঘুরে চলে যাবে। মিছিলটি থানার সামনে আসলে পুলিশ হাবিব সমর্থকদের বাধা দেয়। তারা বাধা উপেক্ষা করে রেলগেটের দিকে চলে আসে। রেলগেট এলাকায় আমাদের লোকদের লক্ষ্য করে তারা প্রথমে গুলি চালায়। এ সময় আমার সমর্থকেরা আত্মরক্ষার্থে রেললাইনের পাথর নিক্ষেপ করে তাদের প্রতিহত করে।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন