× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

কোরবানির জন্য রাখা গরুর জিহ্বা কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা একটি ষাঁড় গরুর জিহ্বা কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে মঙ্গলবার আছিম পাটুলি ইউনিয়নে রাত সাড়ে ৯টার দিকে খামারে থাকা গরুটির জিহ্বা কেটে ফেলার ঘটনা ঘটে।

পরে বুধবার সকালে স্থানীয় পিডিবি বাজারে গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রি করা হয়। এ সময় কাটা জিহ্বা হাতে নিয়ে খামার মালিক আকরাম হোসেনকে আহাজারি করতে দেখা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাটা জিহ্বা হাতে বাজারে আসা লোকজনকে দেখিয়ে নিজের অসহায়ত্বের কথা বলছিলেন খামার মালিক আকরাম হোসেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি গরুগুলো নিজ খামারে সন্তানের মতো লালনপালন করে আসছেন। মূলত কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানিদাতাদের কাছেই তিনি গরু বিক্রি করেন।

সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে গরুগুলোকে খাবার দিয়ে খামারের পাশের বাড়িতে যান আকরাম। রাত ৯টার দিকে লোডশেডিং হয়। পরে সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যুৎ আসে। বিদ্যুৎ আসার পর আকরাম হোসেন খামারে গিয়ে দেখতে পান খামারের সবচেয়ে বড় ষাঁড় গরুটির মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। পাশেই পড়ে রয়েছে জিহ্বার কাটা অর্ধেক অংশ। পরে ঘটনাটি না বুঝেই ওই রাতেই তিনি ২ লাখ টাকার ষাঁড় গরুটি ১ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম জানান, ‘শত্রুতা থাকলে তা খামার মালিকের সঙ্গে থাকতে পারে। গরুর সঙ্গে কীসের শত্রুতা? বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

খামার মালিক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমার সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা নেই। আমি গরু পালন করেই সংসার চালাই। প্রতি কোরবানির ঈদে যারা কোরবানি দেন, তাদের কাছেই সওয়াবের আশায় গরু বিক্রি করি। এখন আমি কার কাছে বিচার দেব?’

আছিম পাটুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস বলেন, ‘কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা একটি গরুর জিহ্বা কেটে ফেলার ঘটনাটি দুঃখজনক। খামারিদের গরু যদি অনিরাপদ থাকে, তাহলে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, যাতে খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক না ছড়ায়।’

Link copied!