× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

উপকূলে সমুদ্রগামী জেলেদের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ডিজেল সরবরাহ

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর উপকূলে মাছ ধরা সচল রাখতে সমুদ্রগামী জেলেদের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দরিদ্র জেলে জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনায় রেখে জরুরিভাবে অতিরিক্ত ২৭ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) শেষ বিকেলে কলাপাড়া উপজেলার বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশন ও আলীপুর ফরাজী ট্রেডার্স পাম্পের মাধ্যমে এ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।

ছোট, মাঝারি ও বড় ট্রলারে চাহিদা অনুযায়ী ৪০০ থেকে ১,০০০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহ করা হয়। জ্বালানি তেল বিতরণের জন্য আগেই আলীপুর ফরাজী ট্রেডার্স পাম্পে ১২ হাজার লিটার এবং বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশনে ১৫ হাজার লিটার ডিজেল অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়াসীন সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জেলেদের জ্বালানি সংকট কাটাতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০টি ট্রলারের জেলেরা এ জ্বালানি পাচ্ছেন। আগামীকালও জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, মহিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী এবং লতাচাপলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমানকে বিষয়টি অবগত করে সুষ্ঠুভাবে জেলেদের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে।

সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রেখে যানবাহনের জ্বালানি সরবরাহ বজায় রেখে জেলেদের জন্য এটি বিশেষ ব্যবস্থাপনা ছিল। ১৫ এপ্রিল থেকে সমুদ্রে মাছ ধরার ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগেই অন্তত একবার জেলেরা যেন সমুদ্রে মাছ ধরার সুযোগ পান, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

২৭ হাজার লিটার ডিজেল আলীপুর ও মহিপুরের পেট্রোল পাম্প এলাকায় সরাসরি জেলেদের মধ্যে সরবরাহ করায় জেলে ও ট্রলার মালিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে এই পরিমাণ ডিজেলে জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্রলার মালিক ও জেলেরা জানান, বড় ট্রলারগুলো সাধারণত ১৬-২৫ জন জেলে নিয়ে ১০-১২ দিনের জন্য সমুদ্রে যায়। এসব ট্রলারের একবার যাত্রায় ৭০০-৮০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়।

তবে জ্বালানি তেলের সংকটে কলাপাড়া উপকূলের প্রায় ২৫০ ট্রলার মালিকসহ অন্তত ২০ হাজার জেলে বেকার হয়ে পড়েন। বিষয়টি একাধিক গণমাধ্যমে উঠে আসার পর উপজেলা প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে এ বিশেষ পদক্ষেপ নেয়। প্রয়োজনে আরও ডিজেল সরবরাহ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মহিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা ফজলু গাজী জানান, জেলেদের জীবন-জীবিকা ও সমুদ্র অর্থনীতির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ট্রলারে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। এ উদ্যোগের জন্য তিনি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।

মহিপুর মৎস্য বন্দর আড়ত মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা জানান, সরকারের এ বিশেষ উদ্যোগ জেলেদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে। তিনি এ পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, জেলেদের সমস্যাটি বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে তাদের ডিজেল সরবরাহের জন্য কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!