× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

রাস্তা সম্প্রসারণের ‘অজুহাতে’ কাটা হলো ৩০টি কাঠবাদাম গাছ

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহী মহানগরীতে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজের জন্য ৩০টি কাঠবাদামের গাছ কাটা হয়েছে। রাজশাহী নগরের রাজীব চত্বর থেকে কলাবাগান হয়ে ঘোষপাড়া মোড় পর্যন্ত সড়কের একপাশজুড়ে ছায়া ও প্রশান্তি ছড়ানো গাছগুলো বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে শনিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে কাটা হয়। এ ঘটনায় নগরজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

রাসিক সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী নগরের সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে ২০১০ সালের দিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৭০টি কাঠবাদামের গাছ রোপণ করে। দীর্ঘ ১৬ বছরে এসব গাছ বড় হয়ে ওঠে এবং নিয়মিত ফলও ধরত। তবে সম্প্রতি ওই এলাকায় ফ্লাইওভার নির্মাণের পর সড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ায় গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এরই মধ্যে ২৩টি গাছ কাটা হয়েছে এবং বাকি ৭টি কাটার কাজ চলছিল। কোথাও শ্রমিকরা গাছে উঠে ডাল কাটছেন, আবার কোথাও গোড়ায় করাত দিয়ে গাছ ফেলা হচ্ছে। অনেক পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাকে এ দৃশ্য দেখে হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা তুহিন আলী বলেন, এ এলাকায় যানবাহনের তেমন চাপ নেই। অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ কাটা ঠিক হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা বুঝতে পারছি না।

গাছ কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সরদার মো. গাজি জানান, আটজন শ্রমিক তিন দিন ধরে গাছ কাটার কাজ করছেন। সিটি করপোরেশন থেকে নিলামে কিনে নেওয়া এক ব্যবসায়ী এই গাছগুলো কাটছেন।

রাসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান বলেন, বন বিভাগের প্রাক্কলন অনুযায়ী নিয়ম মেনে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। তিনি জানান, ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে সড়কের একপাশের প্রস্থ কমে যাওয়ায় তা বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ফুটপাত নির্মাণের পর সেখানে নতুন করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে উন্নয়নের নামে গাছ কাটার এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, ‘নতুন গাছ লাগানোর আশ্বাস দিয়ে পুরোনো গাছ কেটে ফেলা কোনো টেকসই সমাধান নয়। গাছ রেখেও উন্নয়ন সম্ভব—এই ভাবনাটি এখনো প্রকৌশলীদের মধ্যে দৃশ্যমান নয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরিবেশের জন্য আত্মঘাতী। অচিরেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!