× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দেশের উত্তরাঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে শুরু হতে যাওয়া ভারী বৃষ্টিপাতকে ঘিরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলগুলো স্বল্প সময়ের জন্য পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে, যা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে এসব অঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, প্রাক্-মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘ঝুমুল’ সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় হতে পারে, যা আগামী ৭ মে পর্যন্ত বিস্তৃত থাকতে পারে। এই সময়ে দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, উজানের মেঘালয়, আসাম ও চেরাপুঞ্জিতে ৫০০ থেকে ৭০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে এসে সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তবে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা কম।

প্রথমদিকে বৃষ্টিপাত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকলেও ২৮ বা ২৯ এপ্রিল থেকে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২৯ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত সময়জুড়ে দেশের অধিকাংশ এলাকায় নিয়মিত ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে, যদিও মাঝেমধ্যে স্বল্প বিরতি দেখা যেতে পারে।

এ সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলেও জানান মশিউর রহমান। কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে।

এই আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতির প্রভাবে হাওর অঞ্চলে চলমান বোরো ধান কাটার কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। টানা বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে সময়মতো ফসল ঘরে তুলতে না পারলে কৃষকদের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির ফলে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে এবং ২৮ বা ২৯ এপ্রিলের পর আবহাওয়া কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠতে পারে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৪৫ থেকে ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির গুজবকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা বাড়ার নয়, বরং বৃষ্টির কারণে কমার সম্ভাবনাই বেশি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!