× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ১২:১০ পিএম

লাভের আশায় ধারদেনা করে পেঁয়াজ চাষ, লোকসানে কৃষক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ১২:১০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টানা এক সপ্তাহের বৃষ্টিতে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারসহ প্রধান নদনদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদের অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের অনেক পেঁয়াজ খেত পানিতে তলিয়ে যায় এবং ব্যাপক ক্ষতির শিকার হন কৃষকেরা।

পানি নেমে গেলেও নষ্ট হওয়া খেতের ক্ষত এখনো কৃষকদের বুকে দগদগে হয়ে রয়েছে। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে অপরিপক্ব পেঁয়াজ খেত থেকে তুলে হাটে-বাজারে বিক্রি করছেন। তবে সেখানেও মিলছে না ন্যায্য দাম।

সম্প্রতি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকেরা অপরিপক্ব পেঁয়াজ নিয়ে হতাশায় ভুগছেন। ব্যবসায়ীরা মান ভেদে প্রতি মণ পেঁয়াজের দাম ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকাচ্ছেন।

মোল্লার হাট এলাকার কৃষক সুজন মিয়া বলেন, বর্গা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে ভাগে পেয়েছি ১০ মণ। বৃষ্টির কারণে খেত ডুবে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে অপরিপক্ব পেঁয়াজ তুলে এনেছি। আধা মণ পেঁয়াজের দাম মাত্র ২০০ টাকা বলছে ব্যবসায়ীরা। এতে খাজনা ও যাতায়াত খরচও উঠছে না।

চর যাত্রাপুরের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিঘা প্রতি ১২-১৩ হাজার টাকা খরচ করে ২০ মণ ফলনের আশা ছিল। কিন্তু বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ৪ বিঘা থেকে পেয়েছি মাত্র ১১ মণ পেঁয়াজ।

একই পরিস্থিতির কথা জানান কালির আলগা এলাকার কৃষক সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, ধারদেনা করে ৪ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। এখন প্রতি মণের দাম ৪০০-৫০০ টাকা বলা হচ্ছে। নৌকা ভাড়া, খাজনা ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বড় ধরনের লোকসান হচ্ছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাজারে সরবরাহ ও মান দুটোই নষ্ট হয়েছে, এতে তারাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৮৪১ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ২ হাজার ৭৬৫ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৯ হাজার টন।

তবে বৃষ্টিতে ফসল ক্ষতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুড়িগ্রামের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বৃষ্টির পানিতে পেঁয়াজ খেত ডুবে যাওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে পেঁয়াজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, টানা এক সপ্তাহের বৃষ্টির পর এখন বৃষ্টিপাত কমে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!