× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

ফুলবাড়ীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের গুরুত্বহীন দশা

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদর থেকে জেলা সদরগামী ফুলবাড়ী–কাঁঠালবাড়ি সড়কটির বেহাল দশা। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদর থেকে জেলা সদরগামী ফুলবাড়ী–কাঁঠালবাড়ি সড়কটির বেহাল দশা। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদর থেকে জেলা সদরগামী ফুলবাড়ী–কাঁঠালবাড়ি সড়কটির বেহাল দশার কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জনজীবন। প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটির দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা। তবে এ বছরের শুরুতে মাত্র ৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তর। 

সড়কটির সংস্কারকাজের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ করেননি ঠিকাদার। ফলে চলাচলের দুর্ভোগ আর জনভোগান্তি আরও বেড়েছে। সংস্কারকাজে ঠিকাদারের খেয়ালিপনা আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার মাশুল দিতে হচ্ছে এ সড়কের পথচারীদের। জীবন-জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি গুরুত্বহীন দশায় পড়ে রয়েছে মাসের পর মাস ধরে। 

স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়ী–কাঁঠালবাড়ি সড়কের নাওডাঙ্গা পুলেরপাড় বাজার থেকে বড়ভিটা বাজারের কাছাকাছি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়কের সংস্কারকাজ করা হচ্ছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত (জিওবিএম) কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ২ কোটি ৬ লাখ ১৩ হাজার ৪১৯ টাকা। সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরুর জন্য চলতি বছরের গত ১৯ জানুয়ারি কার্যাদেশ দেওয়া হয় কুড়িগ্রাম সদরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফ এইচ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপকে। চুক্তি অনুযায়ী, সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ২৪ মে। মেয়াদ শেষ হলেও সড়কের মাত্র ৪০ শতাংশ কাজ হয়েছে। 

স্থানীয়রা জানান, ফুলবাড়ী উপজেলা সদর থেকে জেলা সদরে যাতায়াতের এই সড়কটি ২০১৭ সালের বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে। সড়কের বেহাল দশার বিরূপ প্রভাব পড়ে মানুষের জীবন-জীবিকায়। পরে ২০১৯ সালে সড়কটির অনেকটা দায়সাড়া সংস্কারকাজ করে স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তর। সংস্কার কাজ শেষ করার কিছুদিন যেতে না যেতেই সড়কটি যাতায়াতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে থাকে। তার পরেও নিরুপায় পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন। পথচারীদের দুর্ভোগের ৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর অবশেষে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তর। তবে এতে নতুন করে ভোগান্তি আরও বেড়েছে পথচারীদের।

শাহ বাজার এলাকার ভ্যানগাড়িচালক মফিজুল ইসলাম ও সল্লু মিয়া জানান, কয়েক মাস আগে সড়কের পিচ তুলে ফেলা হয়েছে। এরপর সড়কে পাথর ও ইটের খোয়া ফেলে নামমাত্র রোলিং করা হয়। ফলে সড়কজুড়ে এবড়োথেবড়ো অবস্থার তৈরি হয়েছে। এ সড়কে গাড়ি চালানো মুশকিল হয়েছে। সড়কে গাড়ি চালাতে গিয়ে ঘনঘন গাড়ি বিকল হওয়াসহ প্রায়ই দুর্ঘটনায় পড়তে হচ্ছে তাদের। দ্রুত সড়কের কাজ শেষ করার দাবি জানান তারা।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মামুনুর রহমান বলেন, আগামী ১৪ জুনের মধ্যে সড়কের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!