× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মো. গিয়াস উদ্দিন

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম

ক্লান্তি ভুলে চট্টগ্রামের  বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের ঢল

মো. গিয়াস উদ্দিন

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ঈদের টানা ছুটিতে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ার মতো।। ঈদের দিন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উল্লেখযোগ্য দর্শনার্থীর সমাগম না হলেও ঈদের পরের দিন বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মানুষের ঢল নেমেছে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে। জৈষ্ঠর প্রখর তাবদাহ তাদের আনন্দে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে নি।

শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকেই পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, ফয়’জ লেক,পারকি সৈকত, গুলিয়াখালী সী বিচ ও ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্টে পর্যটকদের উপস্থিতি সবথেকে বেশী।

ঈদের ছুটিতে যারা গ্রামের বাড়িতে যেতে পারেন নি, তারই মূলত বিনোদন কেন্দ্রে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে এসেছে।

বিশেষ করে নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, ফয়’স লেক, সি-ওয়ার্ল্ড, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, বহদ্দারহাটের স্বাধীনতা পার্ক, , আগ্রাবাদ শিশুপার্ক, কাজির দেউড়ি শিশুপার্কে দর্শনার্থীদের প্রচুর ভিড় রয়েছে। এর বাইরে ভাটিয়ারি ও চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারায় পারকি সমুদ্রসৈকতেও প্রচুর দর্শনার্থী সমাগম হয়েছে। তবে বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ করা গেছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ও ফয়’স লেক, সি-ওয়ার্ল্ডে  । প্রতিটি উৎসবে এসব বিনোদন স্পটে প্রচুর দর্শনার্থীর সমাগম হয়। 

নগরের একঘেয়ে যান্ত্রিক জীবনের বাইরে কয়েক ঘণ্টার মুক্ত বাতাস খুঁজতেই যেন বেরিয়ে পড়েছেন মানুষ। অনেকের হাতে মোবাইল, কেউ স্মৃতি বন্দী করছেন ক্যামেরায়, কেউ ব্যস্ত ছোটদের আবদার মেটাতে। রাইডের সামনে অপেক্ষা, খাবারের দোকানে ভিড়—সব মিলিয়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলো যেন হয়ে ওঠে ছোট্ট এক উৎসবমঞ্চ।

শিশুদের উচ্ছ্বাস সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। রঙিন দোলনা, ট্রেন কিংবা খেলনার জগতে ডুবে তারা। পাশে দাঁড়িয়ে অভিভাবকদের চোখেও স্বস্তি—কিছু সময়ের জন্য হলেও ক্লান্তি সরিয়ে সন্তানদের হাসি দেখার তৃপ্তি

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা প্রবাসী ফকরুদ্দীন বলেন, বিদেশে থাকায় এমনিতেই পরিবারকে সময় দিতে পারি না। এবারে ঈদে দেশে এসে সব কাজ ফেলে তাদের (পরিবার) নিয়ে দুপুরেই এখানে  চলে এসেছে। প্রচন্ড রোদ, তারপর ও দেশের মাটিতে একটি অন্যরকম ভাললাগার মুহুত্ব, যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

ফয়’স লেকে বেড়াতে আসা দর্শনার্থী রুকসানাজ্বামান বলেন ,মেয়েরা বড় হয়েছে, তাই চট্টগ্রামের উম্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্রে যেতে অসস্থি লাগে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে যা হচ্ছে,তা নিয়ে টেনশন কাজ করে। তবে ফয়’জ লেকের পরিবেশ যেমন ভাল, তেমনি প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মনোরম।। তাই সময় পেলেই আমরা এখানে বেড়াতে চলে আসি।

ফয়’স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্কের ব্যবস্থাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ রুপালী বাংলাদেশকে বলেন,ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিতে প্রতিবারের মতো এবারে ও বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী আসছে। তবে আজকের চাইতে আগামী কয়েকদিন দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়বে।আমরা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে যেহেতু বিশেষ দৃশ্টি রাখি। সাসন্দে পরিবার পরিজন নিয়ে সেহেতু যারা একবার এখানে বেড়াতে আসেন ,তারা নিশ্চয়ই চট্টগ্রামে পছন্দের শুরুতে ফয়’স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্কেই রাখবেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশের পতেঙ্গা জোনের (সাব জোন) ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. হাসান ইমাম রুপালী বাংলাদেশকে বলেন,আজ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে প্রচুর দর্শনার্থী এসেছে। আমরা সবোচ্ছ চেষ্টা করছি তাদের নিরাপত্তা দিতে। এখনো পযন্ত সৈকতে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটে নি।এমন কোন কিছু না ঘটার জন্য আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি। কিছুক্ষন পর পর পুলিশের ছোট ছোট গ্রুপ সৈকতে টহল দিচ্ছে। এতে করে দর্শনার্থীরা স্বস্থিবোধ করেন বলে আমরা মনে করি।

দিনশেষে চিত্রটা একটাই—ক্লান্ত শহর একটু আনন্দ খুঁজতে বেরিয়েছে। আর সেই আনন্দের ঠিকানা হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!