× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তাহেরুল ইসলাম তামিম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

রাণীশংকৈলে এডিবি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

তাহেরুল ইসলাম তামিম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর এলাকায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রায় ২৩ লাখ টাকার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা (স্টিমেট) অনুসরণ না করা এবং তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ দেখিয়ে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার পরিষদের অভ্যন্তরে ১২০ মিটার এবং রাণীশংকৈল থানা চত্বরে ২৩২ মিটার সড়কে সম্প্রতি কার্পেটিং করা হয়েছে। তবে কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাথর উঠে যেতে শুরু করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাদের দাবি, নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার বলেন, ‘উপজেলা অভ্যন্তরের সড়ক নির্মাণকাজে নির্ধারিত পরিমাণ বিটুমিন ব্যবহার করা হয়নি। রোলার কম্প্যাকশনও সঠিকভাবে করা হয়নি। ফলে কার্পেটিংয়ের পরপরই পাথর উঠে যাচ্ছে। থানা চত্বরে সিল কোট দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে সাধারণ কার্পেটিং করা হয়েছে। স্টিমেট অনুযায়ী ১০ ও ৬ মিলিমিটার পাথর ব্যবহারের কথা থাকলেও ১৬ মিলিমিটার পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্পষ্ট অনিয়ম। এ ধরনের নিম্নমানের কাজ আমি আগে কোথাও দেখিনি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স আব্দুল কাদেরের প্রতিনিধি মুঠোফোনে বলেন, ‘কাজটি আমি ও অন্য কয়েকজন ঠিকাদার অংশীদারত্বের ভিত্তিতে করেছি। আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করার চেষ্টা করেছি। কোথাও কোনো সমস্যা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করে দেওয়া হবে।’

রাণীশংকৈল থানার ওসি কাজের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আগে রাস্তার অবস্থা ভালো ছিল, এখন আরও খারাপ হয়েছে। থানার ভেতরের কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে।’

রাণীশংকৈল পৌরসভার প্রকৌশলী জাবেদ আলী বলেন, ‘অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাণীশংকৈল পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা বেগম বলেন, ‘যেসব স্থানে কাজের মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো খতিয়ে দেখা হবে। কাজ নির্ধারিত মান অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। কাজ সন্তোষজনক না হলে ঠিকাদারকে বিল দেওয়া হবে না।’

Link copied!