× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নীলফামারী সংবাদদাতা

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা হত্যা‌ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারী সংবাদদাতা

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা রেজাউল করিম (৪০) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন তার পরিবার ও এলাকাবাসী। সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টায় কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন নিহতের মা আফরোজা বেগম, ভাই মো. এনামুল হক, মো. ওয়াদুদ মিয়া, আব্দুল মাজেদ ও স্থানীয় নাসির হোসেনসহ অন্যরা।

এ সময় বক্তারা জানান, গত ১ জুন বিকেলে রেজাউল করিম উপজেলার মাগুড়া দোলাপাড়া গড়েরপাড় এলাকায় তার ফুপার বাড়িতে দাওয়াতে যান। সেখানে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তার ফুপা আমিনুরের ভাইদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষরা রেজাউলকে মারধর করে এবং মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, এ মামলার আসামি মো. রাকিব ইসলাম, আসাদুজ্জামান বিটু, আব্দুল আজিজ, আক্তারুজ্জামান বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ভিসা প্রতারণা ও থাই খেলার সঙ্গে জড়িত থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অর্থের প্রভাব খাটিয়ে তারা আইনের আওতার বাইরে থাকার চেষ্টা করছেন। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

নিহত রেজাউল করিম মাগুড়া দোলাপাড়া গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে এবং দোলাপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ঘটনার পর দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি, দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!