× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

 সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৫, ০২:২৬ পিএম

বিদ্যালয়ে না গিয়ে নিয়মিত বেতন তুলছেন শিক্ষক দম্পতি

 সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৫, ০২:২৬ পিএম

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ও তার স্ত্রী হাজেরা খাতুন।      ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ও তার স্ত্রী হাজেরা খাতুন। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতনভাতা তুলছেন। কোনো রকম ছুটি ছাড়াই তারা মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।

জানা যায়, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের সুরীর চালা আব্দুল হামিদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর ও তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষক হাজেরা খাতুন ওই মাসের ৭ তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড টান্সফার) এর মাধ্যমে তারা নিয়মিত বেতনভাতা তুলছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ও তার স্ত্রী হাজেরা খাতুন প্রায় ৯ মাস ধরে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন না। কোনো রকম ছুটি ছাড়াই তারা মাসের পর মাস স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির করেন। তিনি তার স্ত্রীকে অবৈধভাবে বিদ্যালয়ে নিয়োগ দিয়েছেন।

এলাকাবাসী ওই প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবিতে কয়েক দফায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, আমরা বিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছুক। কিন্তু স্কুলে যাওয়া মতো আমাদের কোন পরিবেশ নেই। সভাপতি মহোদয় আমাদের কারণ দশানোর নোটিশ দিয়েছেন আমরা এর জবাব দেব।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষক দম্পতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুনুর রশিদ বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কোনো সুযোগ নাই। ওই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!