ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

​বোরহানউদ্দিনে নির্বাচনি ইশতেহারে সেতু ও গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি

বোরহান উদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

​আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বোরহানউদ্দিন উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে স্থানীয় হাই স্কুল মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভোলা-২ আসনের প্রার্থীর পক্ষ থেকে এলাকার উন্নয়নে ২১ দফার একটি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।

​জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেন, ভোলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণসহ ঢাকা ও সারা দেশের সাথে নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা হবে। ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে নদী ভাঙন রোধে মেরিন ড্রাইভের আদলে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং ভোলায় উৎপাদিত গ্যাসের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে আবাসিক গ্যাস সংযোগ ও গ্যাসভিত্তিক শিল্পকারখানা স্থাপনের প্রতিশ্রুতি।

 

ঘোষিত ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:

       ভোলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণসহ ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। এ ছাড়া ২০০১-২০০৫ আমলের    ধারাবাহিকতায় আরও স্কুল, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ।

  • কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা এবং চরাঞ্চলের অবৈধ দখলকৃত জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরের অঙ্গীকার।
  • বেকার যুবক ও নারীদের স্বাবলম্বী করতে বেসরকারি উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশগামীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা।
  • প্রতিটি এলাকায় জোন ভিত্তিক ফ্রি ইন্টারনেট এবং উপজেলায় ‘ফ্রি নাগরিক হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন। যেখানে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও জেলে ভাতার মতো সরকারি সেবাগুলো দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
  • ​বোরহানউদ্দিনে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম এবং পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।

জনসভায় বক্তব্য রাখেন বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপি আহবায়ক মাফরুজা সুলতানা, ভোলা জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাহাফুজুর রহমান বাচ্চু, হাফিজ ইব্রাহীম পুত্র মারুফ ইব্রাহীম আকাশ, কারি গোলাম মোস্তফা।

জনসভায় বক্তারা আরও বলেন, এই ইশতেহার কেবল প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দলিল।

অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর ইউনিটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষাংশে স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে ইশতেহারের বিষয়গুলোকে সাধুবাদ জানানো হয়।