× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম

হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চাঁদপুর শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকায় মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোজাম্মেল পাটওয়ারী (২৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি মো. বশিরকে (৪৪) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বশির রহমতপুর আবাসিক এলাকার ২১ নম্বর বাসার মৃত তাজুল ইসলাম মেম্বারের ছেলে। হত্যার শিকার যুবক মোজাম্মেল একই এলাকার ৯৬ নম্বর বাসার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম পাটওয়ারীর ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, আসামি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এলাকায় মাদক বিক্রির সময় নিহত যুবক মোজাম্মেল প্রায় সময় বশিরকে মাদক বিক্রিতে বাধা দিতেন। মাদক মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বশির সন্দেহ করে মোজাম্মেল পুলিশকে জানিয়েছে। সে জামিনে এসে ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তার বাড়ির সামনে মোজাম্মেলকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেন এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে ২১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় পরদিন ২২ ডিসেম্বর মোজাম্মেলের মা মরিয়ম বেগম (৫০) চাঁদপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বশিরকে। সহযোগী আসামি করা হয় বশিরের আপন ভাই মো. নাছির (৪৫), মো. মামুন (২৫), মো. মহিসন (২৭) ও তাদের মা মনি বেগমকে।

মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল হক কামালকে। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কুহিনুর বেগম বলেন, ‘মামলাটি দীর্ঘ বছর আদালতে চলমান অবস্থায় আদালত ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা এবং আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় তার উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় দেন। আর বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।’

আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান।

Link copied!