চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নামোশংকরবাটি চৌকা পাড়া থেকে মরিয়ম বেগম (৫৫) নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে সুমি খাতুন ও তার স্বামী রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত মরিয়ম বেগম নামোশংকরবাটি এলাকার উজ্জ্বলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. মোসাদ্দেক হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরিয়ম বেগম স্থানীয় বাসিন্দা সুমি খাতুনের মেয়ে মিথীলাকে নিয়মিত প্রাইভেট পড়াতে যেতেন। সে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। সোমবার থেকে মরিয়ম বেগম নিখোঁজ ছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ রুবেল ও সুমি দম্পতির বাড়ি থেকে মরিয়মের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহ উদ্ধারের সময় তার মাথা ও ঠোঁটে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এ ছাড়া কানের দুল ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, সুমি খাতুনের বিরুদ্ধে আগেও কয়েকজন নারীকে জুসের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মরিয়ম বেগমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেনের মেয়ে সুমি খাতুন এবং তার স্বামী মো. রুবেলকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অসীম ফিরোজ জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানান।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন