× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে এক চিকিৎসকের কাছে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৪ মে) চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন এ আদেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- রাউজান থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, উপপরিদর্শক (এসআই) টোটন মজুমদার ও শাফায়েত আহমদ এবং পাইওনিয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান ফজল করিম ওরফে বাবুল, পরিচালক মনজুর হোসেন ও তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

মামলার বাদী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি করেন। তার অভিযোগ, ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়ায় নিজ চেম্বারে রোগী দেখার সময় তৎকালীন এসআই টোটন মজুমদার তার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে ‘ক্রসফায়ারে’ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে সাদা পোশাকে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় এবং অন্য আসামিদের সহায়তায় তার বিরুদ্ধে একটি ‘মিথ্যা মামলা’ দেওয়া হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাড়িচালক রাসেলের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। তবে পরবর্তীতে রাসেল আদালতে হলফনামা দিয়ে জানান, তিনি চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে চেনেন না এবং তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। পরে গত বছরের ২৯ আগস্ট আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হোসেন ইবনে নাঈম ভূঁইয়া। তবে বাদী নারাজি আবেদন করলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘ ১০ বছর আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখতে পারিনি। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

Link copied!