ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

খুরুশকুল খালে মিলল আবাসিক হোটেল কর্মচারীর মরদেহ

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৭:১৬ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ব্রিজ-লাগোয়া পল্লনখালী খালে ভেসে আসা অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মরদেহটি ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব নাপিত খালী ডুলা ফকির রাস্তার মাথা এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে মোহাম্মদ কালুর (৪২)। বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন মরদেহটি শনাক্ত করেন। নিহত কালু কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড়স্থ আহসান বোর্ডিং নামের একটি হোটেলের কর্মচারী ছিলেন।

সাহাব উদ্দিন জানান, তার ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো কিছুই ধারণা করতে পারছেন না, এমনকি কারো সাথে শত্রুতা আছে এমন তথ্যও নেই বলে জানান তিনি।

নিহত মোহাম্মদ কালুর স্ত্রী শাহানা আহাজারি করতে করতে জানান, ‘বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় শেষবারের মতো কথা হয় স্বামী কালুর সাথে। তখনো তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। পরে বৃহস্পতিবার সকালে শুনতে পাই মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কী হতে কী হয়ে গেল বুঝতে পারছি না।’ চাকরির সুবাদে কক্সবাজার শহরেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তবে কেন খুরুশকুলে মরদেহ পাওয়া গেল এ বিষয়ে তিনি কিছু ধারণা করতে পারছেন না বলে জানান। কখন কালু হোটেল থেকে বেরিয়েছে, কী বলে বেরিয়েছে বা বেরিয়েছে কি না তাও জানে না।

খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার জানে আলম জানান, বৃহস্পতিবার সকালে খুরুশকুল চৌফলদন্ডি ব্রিজ-লাগোয়া পল্লনখালী খালে মরদেহটি ভেসে আসে। মরদেহের পরনে ছিল লাল ও কালো রঙের হুডি আর কালো প্যান্ট। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে সদর থানার এসআই সঞ্জীব কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে নিয় আসে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি জানান, মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যানি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে। তবে মরদেহের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই।