ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দিনাজপুরে জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা

দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টায় উপজেলার মতিহারা গ্রামে এ আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের দলটির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

এ ছাড়া বিরামপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, হাকিমপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, ঘোড়াঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

প্রধান আলোচক ডা. জাহিদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তিনি আমাদের জাতিসত্তার রূপকার ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং সেক্টর কমান্ডার। স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশ গঠনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তিনি আরও বলেন, সততার মাপকাঠিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আজও অনন্য ও অদ্বিতীয়। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়েই তিনি দেশের অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটান। শক্ত হাতে চুরি, ডাকাতি ও দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরেন। অল্প সময়ের মধ্যেই জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে।

ডা. জাহিদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহির্বিশ্বে দেশের গার্মেন্টস শিল্প, হিমায়িত খাদ্য, হস্তশিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করেন। তার হাত ধরেই গড়ে ওঠা সেই সময়ের নবীন গার্মেন্টস শিল্প আজ দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান বলে শেষ করা যাবে না।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের এবং বিগত সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নিহত সকল নেতাকর্মীর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।