ফেনী-২ (সদর) আসনে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু দলীয় প্রতীক ঈগল বরাদ্দ পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হকের কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঈগল প্রতীক গ্রহণ করেন।
প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হাবীব উল্যাহ মিয়াজীর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ফেনী-২ আসনে মঞ্জুকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আব্দুল হান্নান, সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শাহ আলম বাদল, জেলা আহ্বায়ক মাস্টার আহসানুল্লাহ, সদস্য সচিব ফজলুল হক, এনসিপির জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক, খেলাফত মজলিস নেতা আজিজ উল্লাহ আহমদীসহ ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
প্রতীক গ্রহণের পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি জনগণের রায় প্রত্যাশা করেন। অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশ ও এলাকার বৃহত্তর স্বার্থে তার এই ত্যাগ ফেনীবাসী আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। এ সময় তিনি অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়াকে নিজের রাজনৈতিক গুরু হিসেবে উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া বলেন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। মজিবুর রহমান মঞ্জুকে নিজের প্রার্থী উল্লেখ করে তিনি সর্বশক্তি দিয়ে তাকে বিজয়ী করতে কাজ করার ঘোষণা দেন।
এরপর মঞ্জু ফেনী-৩ আসনের জোটপ্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে সঙ্গে নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ শিহাবের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় জেলা জামায়াত, এবি পার্টি, এনসিপিসহ ১০ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে ফেনীতে এসে তিনি অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়ার বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর ১০ দলীয় জোটের পক্ষে ফেনী সদর আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে মজিবুর রহমান মঞ্জু মনোনয়নপত্র জমা দেন।


