ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রশাসন ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তিনি সরাসরি উপস্থিত থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন। তবে এখনো সফরের নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, খাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন সহজ হবে এবং কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্ভাব্য এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে।
শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এবং শৈলকুপা থানার পুলিশ পরিদর্শক হুমায়ূন কবির মোল্লা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে এবং সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে।
তারা আশা করছেন, এ সফরের মাধ্যমে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের গতি পাবে।
শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন বাবর ফিরোজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরের খবরে পুরো শৈলকুপায় আনন্দের সঞ্চার হয়েছে। আমরা আশা করি, তিনি এসে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ নজর দেবেন।
স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা সেলিনা আক্তার বলেন, স্থায়ী উন্নয়ন হলে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নারী উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মাধ্যমে বাস্তব সমস্যার সমাধান হবে।
শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী আরিফ হাসান বলেন, আমরা চাই কর্মসংস্থান, সড়ক উন্নয়ন এবং শিক্ষা খাতে আরও সুযোগ সৃষ্টি হোক।
মনোহরপুর ইউনিয়নের কৃষক আদম আলি জানান, জলাবদ্ধতার কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় রয়েছেন। খাল খনন হলে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং কৃষিকাজে সুবিধা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য এই সফরকে কেন্দ্র করে শৈলকুপায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

