পবিত্র মাহে রমজানে যখন সবাই বাহারি ও মুখরোচক ইফতার উপভোগ করছে, তখন মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন এতিমখানার সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুরা ভালো মানের ইফতারের সংকটে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মাটিরাঙ্গার ৩০টি এতিমখানা ও হেফজখানায় ইফতারের আলো ছড়িয়েছে ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন এতিমখানা ও হেফজখানায় ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন: মাটিরাঙ্গা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জয়নাল আবেদীন খোন্দকার, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন সরকার, মাটিরাঙ্গা উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সনি, উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মো. কোরবান আলী এবং মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন জয়নাল। এ ছাড়াও স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিভিন্ন এতিমখানায় শিক্ষার্থীর আনুপাতিক উপস্থিতি বিবেচনায় দশ দিনের জন্য প্রয়োজনীয় মুড়ি, ছোলা, চিনি, বেসন, ডাল, খেজুর, আলু, পেঁয়াজ, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, লবণ এবং ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা চালসহ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, রমজানের শিক্ষা অনুযায়ী সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, ভবিষ্যতেও ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এতিম শিশুদের সঙ্গে কিছু সময় কাটিয়ে নেতারা তাদের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করেন। তিনি এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরে সমাজের সামর্থ্যবানদের অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বেলাল পোস্ট সেকান্দর আলী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক মাও. আহমদ আব্দুল কাইয়ুম এবং মোল্লাবাজার এতিমখানার পরিচালক মাও. আব্দুল মতিন বলেন, এ উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাবে।


