× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

কুষ্টিয়া শহরের ভেতর দিয়ে রেললাইন, প্রতিনিয়ত লেগে থাকে যানজট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় শহরের মধ্য দিয়ে রেলপথ হওয়ায় প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে যানজট। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় মজমপুর গেটে সরেজমিনে দেখা গেছে নানা চিত্র। ট্রেন আসবে বলে গেট নামানো হয়েছে। এতে গেটের দু’পাশে বাস, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, শহরের মধ্য দিয়ে রেলপথ হওয়ায় প্রতিনিয়তই যানজট লেগে থাকে। এ থেকে রেহাই পেতে চান ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে, কুষ্টিয়া শহরের মধ্যখানে পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে স্থাপিত রেলপথে ছয়টি রেলক্রসিং রয়েছে। এ রেলপথ ব্যবহার করে কুষ্টিয়া-গোয়ালন্দ ঘাট এবং কুষ্টিয়া-ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা রুটে দৈনিক অন্তত আটটি ট্রেন শহরের ভেতর দিয়ে চলাচল করে। এ সময় পাঁচটি রেলক্রসিংয়ে আটকে পড়ে যানজটে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শহরবাসীকে।

আরও জানা গেছে, ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর কলকাতার রাণাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩ দশমিক ১১ কিলোমিটার রেলপথ চালু হয়। ‘জগতি স্টেশন’টি দেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন। পরবর্তীকালে ১৮৭১ সালের ১ জানুয়ারি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর গোয়ালন্দ পর্যন্ত ৭৫ কিলোমিটার রেলপথ সম্প্রসারিত হয়। জগতি স্টেশন থেকে শহরের মধ্যখান দিয়ে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত রেলপথসহ কুষ্টিয়া-গোয়ালন্দ রুট স্থাপিত। এই রুটে শহরের মধ্যখানে রয়েছে রেলওয়ে কোর্ট ও বড় স্টেশন নামের স্টেশনসহ ছয়টি রেলক্রসিং।

স্থানীয়রা জানান, কুষ্টিয়া-গোয়ালন্দ ঘাট, কুষ্টিয়া-খুলনা ও রাজশাহী রুটে শাটল ট্রেন, নকশিকাঁথা মেইল, বেনাপোল এক্সপ্রেসসহ দ্রুতগামী ইন্টারসিটি ট্রেন চলাচল করে। ফলে ট্রেন প্রবেশের অন্তত ৫-১০ মিনিট আগে একযোগে বন্ধ থাকে শহরের জনাকীর্ণ এলাকা মজমপুর গেট রেলক্রসিং, কোর্ট স্টেশন, বড় রেলওয়ে স্টেশন ক্রসিং, বাবুর আলী রেলগেট, মতি মিয়ার রেলগেট ও মিলপাড়া রেলক্রসিং। এতে কোর্ট স্টেশন থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

জেলার বৃহৎ পাইকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বড় বাজার রেলগেট ও বাবুর আলী গেটেও সৃষ্টি হয় যানজট। এতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থীসহ সকলকেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থানীয়রা জানান, শহরের তীব্র যানজট নিরসনে রেললাইন স্থানান্তর এখন সময়ের দাবি। যানজটমুক্ত শহর গড়তে রেলপথসহ ছয়টি রেলগেট স্থানান্তরের কোনো বিকল্প নেই। এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম)-এর নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!