× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

পাটুরিয়া লঞ্চঘাটে উপচে পড়া ভিড়, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। এতে পাটুরিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকেই লঞ্চঘাট এলাকায় হাজারো যাত্রীর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ঘাটের পরিচালক পান্নালাল নন্দী জানান, সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে যাত্রীর চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। এর আগে সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ভিড় বেশি থাকলেও ১০টা পর্যন্ত কিছুটা কম ছিল। পরে আবার যাত্রীচাপ বেড়ে যায়। একই তথ্য জানিয়েছেন ঘাট ম্যানেজার ফারুক হোসেন।

ঈদে বাড়ি ফিরতে চুয়াডাঙ্গাগামী যাত্রী মো. রানা বলেন, ‘পরিবারকে আগেই বাড়ি পাঠিয়েছি। ভেবেছিলাম একা গেলে ভোগান্তি কম হবে। কিন্তু এখানে এসে দেখি চারদিকে যাত্রী আর পর্যাপ্ত লঞ্চ নেই।’

পরিবারসহ বাড়ি ফেরা যাত্রী মহরম আলী জানান, সড়কপথে কষ্ট করে ঘাটে এসে নতুন করে দুর্ভোগে পড়েছেন। ‘যাত্রীর তুলনায় লঞ্চ কম। একটি লঞ্চ এলেই হুড়োহুড়ি করে সবাই উঠছে,’ বলেন তিনি।

ঘাটের সুপারভাইজার মনির খান বলেন, ঈদ উপলক্ষে ১৮টি যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করছে। তবে হঠাৎ করেই যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটেও পারাপারের অপেক্ষায় দেড় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে। অনেক চালক গত রাত থেকেই অপেক্ষা করছেন।

চুয়াডাঙ্গাগামী ট্রাকচালকের সহকারী শফিক জানান, রাত ২টা থেকে ফেরির অপেক্ষায় আছেন তিনি। আরেক চালক আহসান বলেন, ‘সড়কে যানজট পেরিয়ে এসে এখন ফেরিতেও ভোগান্তি। কখন পার হতে পারবো জানি না।’

সব মিলিয়ে ঈদযাত্রায় পাটুরিয়া লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়ায় চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ।

Link copied!