× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৫:২২ এএম

মুন্সীগঞ্জে সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৫:২২ এএম

মুন্সীগঞ্জে সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ধামারণ কবরস্থানে ঘাটলা নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা পরিষদের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও কবরস্থান কমিটির কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘাটলার সিঁড়িতে প্লাস্টারের কাজ চলছিল, কিন্তু কিছু সময় পর শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে চলে যান। স্থানীয়রা জানান, কাজের মান নিম্নমানের হওয়া এবং চাঁদা দাবির অভিযোগের কারণে তারা প্রতিবাদ করলে শ্রমিকরা সরে গেছে। শ্রমিক খোকন গাজী বলেন, “এলাকার লোকজন এসে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। তারা বলে, কমিটির কাছ থেকে ঠিকাদার ৩০ হাজার টাকা নিয়েছে, তাই আমরা চলে যাচ্ছি।”

সংযুক্ত সূত্রে জানা গেছে, ঘাটলা নির্মাণের জন্য জেলা পরিষদ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দের বাইরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কবরস্থান কমিটির কাছে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে কমিটি ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে, ফলে ঘাটলার স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঢালাইয়ের সময় সেন্টারিং খুলে নিচে ডেবে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে টেকসইভাবে ঘাটলাটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

কবরস্থান কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হালিম বেপারী বলেন, “ঠিকাদার ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন, পরে তাকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।” ঘাটলা নির্মাণ করছে ‘মেসার্স ভাই ভাই ইঞ্জিনিয়ার’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঠিকাদার মালিক খোকন মজুমদার দাবি করেছেন, তিনি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি এবং অভিযোগটি ভিত্তিহীন।

মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!