× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০১:১৪ পিএম

ভাতাভোগীকে মৃত দেখিয়ে নাম কর্তন, অন্যজনের নাম অন্তর্ভুক্ত

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০১:১৪ পিএম

মোছা. মালেকা বেগম। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মোছা. মালেকা বেগম। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বিধবা ভাতাভোগী মোছা. মালেকা বেগম (৭০) দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিধবা ভাতা পেয়ে আসছিলেন। হঠাৎ করেই জানতে পারেন, সরকারি নথিতে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় হতবাক ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন ওই বৃদ্ধ নারী।

মালেকা বেগম নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের মৃত চান মিয়ার স্ত্রী। দীর্ঘদিন নিয়মিত বিধবা ভাতা পেলেও গত দুই কিস্তি, অর্থাৎ ছয় মাস ধরে তার মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ভাতার টাকা জমা হচ্ছিল না।

উপজেলা সদরের সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারেন, সরকারি নথিতে তাকে মৃত দেখিয়ে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তার স্থলে অন্য একজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কথা শুনে হতবাক হয়ে যান মালেকা বেগম। তিনি অফিসের কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করেন, আমি আবার মরলাম কবে?

মালেকা বেগম বলেন, তিন মাস পরপর মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ভাতার টাকা পেতাম। স্থানীয় দোকান থেকে টাকা তুলে কোনো রকমে জীবন চালাতাম। এখন ভাতা বন্ধ থাকায় চরম কষ্টে দিন কাটছে।

সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও তিনি এখনো আশ্বস্ত হতে পারছেন না। তার প্রশ্ন, জীবিত থাকা সত্ত্বেও কে বা কারা তাকে মৃত দেখিয়ে এমন ক্ষতি করল?

সমাজসেবা কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, কোনো ভাতাভোগী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে অন্য ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মালেকা বেগমের ক্ষেত্রেও এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

সূত্রটি আরও জানায়, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রুহুল আমীন মালেকা বেগমের মৃত্যু সনদসহ একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দেন। তার প্রস্তাব অনুযায়ী একই গ্রামের মো. আবদুল হাই (৭০) নামে একজনকে ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এ ঘটনায় যথাযথ তদন্ত হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. রুহুল আমীন বলেন, ঘটনাটি ভুলবশত হয়েছে। বিষয়টি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নান্দাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুল ইসলাম আকন্দ বলেন, মালেকা বেগম যেন দ্রুত পুনরায় বিধবা ভাতার অর্থ পান, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!