ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আদালতে ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা-আইনজীবীদের ধাক্কাধাক্কি

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা-আইনজীবীদের ধাক্কাধাক্কি। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জ আদালতে যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে আসা সজীব নামে এক নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।

 বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ আদালতে সজীব হাজিরা দিতে গেলে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান তাকে ছাত্রলীগ বলে আটক করার চেষ্টা করেন। এ সময় বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা এসে সজীবকে জোর করে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ নিয়ে ছাত্রদল নেতা ও আইনজীবীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

বিএনপিপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাজিব মন্ডল জানান, সানু আক্তার শান্তা নামে এক নারীকে সজীব এক লাখ টাকা কাবিন দিয়ে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ে হওয়ার পর জানা যায়, শান্তার পূর্বে আরও চারটি বিয়ে হয়েছে। এ নিয়ে মনোমালিন্য শুরু হলে শান্তা সজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় ঢাকা কোর্টে চারটি ও নারায়ণগঞ্জ কোর্টে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করেন।

সেই মামলায় সজীব আদালতে হাজিরা দিতে এলে শান্তা ছাত্রদল নেতা মেহেদী আরফানকে ব্যবহার করে আদালতপাড়ায় মব সৃষ্টি করে সজীবকে মারধর ও টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। প্রকৃত ঘটনা জানার পর ছাত্রদল নেতাকে জিজ্ঞেস করলে সে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সজীবকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

তবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান বলেন, ‘সে ছাত্রলীগের সদস্য ছিল, এ বিষয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে গেলে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বাধা দেয়। এ ছাড়া তারা আমাকে হেনস্তা ও মারধরের চেষ্টা করেন। পরে আমার পরিচয় দিলে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’