× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম

আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

শিবালয়ে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ তুলে গ্রাম্য সালিশে মারপিটের ঘটনার পর কারখানা শ্রমিক, এক সন্তানের জননী নাজমা আক্তার (২৫) ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- একই গ্রামের আবু তালেবের ছেলে নাঈম (২১), মৃত জলিল খানের ছেলে আজিজ খান অন্তেজ (৭০) এবং মাধবদী গ্রামের মৃত ছালাম আলীর ছেলে শুক্কুর আলী শফিক (৪৫)। শফিক শিবালয় মডেল ইউনিয়ন বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর কাশাদহ গ্রামের আ. খালেকের মেয়ে নাজমা আক্তার স্থানীয় নবগ্রাম চায়না হার্ডওয়্যার কারখানায় চাকরি করতেন। তিনি স্বামী নূর ইসলাম ও মেয়ে সোনিয়া আক্তারকে (৮) নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন।

কিছুদিন ধরে নাজমার সঙ্গে প্রতিবেশী বিবাহিত জাকির হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্থানীয় একদল যুবক নাজমার বাড়িতে সালিশ বসায়।

শালিশে নাজমা ও জাকির হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে বেদম মারধর করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাকিরকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরদিন শনিবার (১৮ এপ্রিল) কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে নাজমাকে স্থানীয় কিছু লোক কটূক্তি করে এবং পুনরায় সালিশের হুমকি দেয়। এতে ভীত হয়ে তিনি বাড়ি ফিরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজের ঘরে যান।

অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করেন। সাড়া না পেয়ে তার বাবা ঘরের পার্টিশন টপকে দেখে নাজমা ফাঁসিতে ঝুলছেন। পরে স্থানীয়রা তার মরদেহ নামিয়ে আনেন।

এ ঘটনায় নাজমার বাবা শিবালয় থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

উপপরিদর্শক সুমন চক্রবর্তী জানান, আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে এবং জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।।

শিবালয় থানার ওসি (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালা জানান, তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!