× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

বুড়ি তিস্তা খনন ঘিরে সংঘর্ষ, আনসার ক্যাম্পে ভাঙচুর

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

আনসার ক্যাম্পে ভাঙচুর চালায় এলাকাবাসী। ছবি: সংগৃহীত

আনসার ক্যাম্পে ভাঙচুর চালায় এলাকাবাসী। ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বুড়ি তিস্তা জলাধার খনন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কুটিরডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঠিকাদারদের বিরোধ থেকে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন সেখানে দায়িত্বরত আনসার বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যেই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আনসার ক্যাম্পে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কুটিরডাঙ্গা এলাকার মানুষ বুড়ি তিস্তা জলাধার খননের আওতায় পড়া তিন ফসলি জমিকে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে আসছেন। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, এসব জমি তাদের আইনগতভাবে অধিগ্রহণ করা। দীর্ঘদিন ধরে ওই জমির খাজনাও পানি উন্নয়ন বোর্ড সরকারকে রাজস্ব হিসেবে পরিশোধ করে আসছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ না দিয়েই তিন ফসলি জমিতে খননকাজ শুরু করায় তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হতে পারে এবং বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ধ্বংসের মুখে পড়বে।

এলাকাবাসীদের নিয়ে গঠিত ‘জনগোষ্ঠী’ সংগঠনের মুখপাত্র মো. আব্দুল আলিম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। অথচ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদাররা সেই শোক উপেক্ষা করে বুড়ি তিস্তা নদীতে খননকাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন, যার বিরোধিতা করেছে এলাকাবাসী।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঠিকাদাররা কেন খননকাজে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রীয় শোক চলমান থাকায় আগামী তিন দিনের জন্য খননকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও কেন কাজ শুরু করা হয়েছে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি কুটিরডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!