ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পাবনায় দাদি-নাতনিকে হত্যা, ২ জন আটক 

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
নাতনী জামিলা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের আটক করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। 

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার। তবে এখনো হত্যার রহস্য জানাতে পারেনি পুলিশ। 

আটককৃতরা হলেন, ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মন্ডলের ছেলে রাব্বি মন্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম। জানা গেছে, তাদের পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের মৃত নাজিমুদ্দিন খাঁর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। নিহত জামিলা খাতুন উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা দশম শ্রেণির ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। দাদি ও নাতনি একই বাড়িতে থাকতেন। কোনো পুরুষ মানুষ বাড়িতে ছিল না। এর আগে শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতের পর কোনো এক সময় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে তাদের মরদেহ পৃথক স্থানে পাওয়া যায়। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হন। তবে কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এ সময় জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষাখেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও মরদেহ উদ্ধার করে। 

এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে র‍্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিআইডি, ডিএসবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তদন্তে মাঠে নামে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। আশা করছি খুব দ্রুতই হত্যা রহস্য উদঘাটন হবে।