গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি ও তার সহকর্মীরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কয়েক দিন পর হয়তো আমার লাশও পাওয়া যেতে পারে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নুর এ কথা বলেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিংগুরিয়া গ্রামে ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সদস্য নাইমুলের বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে।
নুর অভিযোগ করেন, স্থানীয় নেতা হাসান মামুন তাদের কর্মীদের বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে এবং নির্যাতন করছে। তিনি বলেন, আমার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন এবং যারা আমার সঙ্গে মাঠে নামছে—তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমি গভীরভাবে শঙ্কিত।
তিনি নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে হাসান মামুনের প্রার্থিতা বাতিল করতে হবে। তিনি একের পর এক ফৌজদারি অপরাধে জড়িত।
নির্বাচনের আগে নিজেরও কর্মীদের নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে নুর বলেন, বকুল বাড়িয়া, চর বোরহান, চর কাজলের ধর্ষণসহ সহিংসতার ঘটনা এবং সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এই এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে থাকবে। তিনি আরও বলেন, এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়াও হাসান মামুনের প্রার্থিতা বাতিল করা জরুরি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে পটুয়াখালীর গলাচিপায় গণঅধিকার পরিষদের এক কর্মীর বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত না হলেও আসবাব, একটি মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি, মোবাইল ফোন, অটো চার্জারসহ একটি গরুর অংশ পুড়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।


