× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম

গ্রাম পুলিশ নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য, লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল 

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম

লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল । ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল । ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে। টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।

স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।

মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। 

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!