× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০২:৪২ পিএম

আমনের বাম্পার ফলন, ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষকরা

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০২:৪২ পিএম

ধান কাটছে কৃষকরা। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ধান কাটছে কৃষকরা। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর দুমকিতে সারা মাঠ জুড়ে সোনালী ধানের আলোর ঝলকানিতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। অধিকাংশ ক্ষেতের ধান পেকে গেছে।

পাকা ধানের ওপর দিয়ে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় দোলা দিয়ে যেন ধান কৃষকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে, ‘ওরে আয় তোরা, আয় আমাকে ঘরে তোলার জন্য।’

কৃষকরাও ইতিমধ্যেই মহা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সোনালী আমন ধান ঘরে তুলতে। কৃষকদের ছুটাছুটি করতে দেখা যায় শ্রমিকদের খোঁজে। কৃষাণিরাও ধান সেদ্ধ, শুকানো ও সংরক্ষণের কাজে দিন-রাত অবিরাম কাজ করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলার শ্রীরামপুর, আংগারিয়া, মুরাদিয়া, লেবুখালী ও পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে মোট ৬ হাজার ৬০১ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সরেজমিনে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে চাষাবাদ হয়েছে।

অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ করায় কিছু জমির ধান সংগ্রহ শেষ হয়ে গেছে। অনুসন্ধানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব মাঠেই আমন ধান পেঁকে গেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে পুরো মাঠ জুড়ে।

শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক মোঃ ইলিয়াস খান বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সময়মতো আমন চারা রোপণ করায় এবং কোনো রিপু না হওয়ায় আমন ধান বেশ ভালো হয়েছে। আশা করি বিগত বছরের তুলনায় এবছর ভালো ফলন পাবো।

মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের কৃষক আবুল কালাম জানান, আমাদের এলাকায় প্রতিটি মাঠেই এ বছর আমনের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের মুখে মুখে ভালো ফলনের কথা শোনা যাচ্ছে। আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

এ ব্যাপারে দুমকি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের আমন চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণ ও সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। অত্র এলাকার বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। নদী বিধৌত পলি-বেষ্টিত জমি আমন ধান চাষের জন্য উপযোগী।

ইতিমধ্যেই আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের ধান ক্ষেতের নানাবিধ সমস্যার সমাধানের জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছি। পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে আলোক ফাঁদ ও পারসিং পদ্ধতির পরামর্শ দিয়েছি। সব মিলিয়ে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি আমন মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!