ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

মাদ্রাসা শিক্ষকের পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ভাইজোড়া গ্রামে গেলে উত্তেজিত পরিস্থিতি দেখা যায়।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ এনে ওই গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী সোহেল ফকির এর স্ত্রী রুনা বেগম বাদী হয়ে প্রতিবেশী মুনসুর খলিফার ছেলে হোগলপাতি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকব্বর খলিফাসহ ৬ জন নামীয় এবং অজ্ঞাত আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মাদ্রাসা শিক্ষক আকব্বর খলিফা বলেন, যেদিন ঘটনা দেখানো হয়েছে সেদিন কে আমি পরীক্ষার ৮ নম্বর হলে দায়িত্ব পালন করেছি। আমি কয়টার সময় কেন্দ্রে হাজির হয়েছি তাহার যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। আমাকে এবং আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অন্যায় ভাবে আসামি করা হয়েছে।

হারুন হাওলাদার নামে মামলার অপর এক আসামি বলেন, আমি চরখালী ফেরিতে চাকরি করি। চাকরির সুবাদে চরখালি থাকি। যার যথেষ্ট সাক্ষী প্রমান রয়েছে। এখানে আমাকেও আসামি করা হয়েছে। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, রুনা বেগমরা নিজেদের ঘর নিজেরা ভাঙচুরের নাটক করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে এর উপযুক্ত বিচার প্রার্থনা করছি।

অভিযুক্ত এবং এ মামলার বাদি রুনা বেগম দাবি করেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষক এবং তার লোকজনরা আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করছে। এ কারণেই আমি মামলা করেছি।

স্থানীয় বাসিন্দা, সোহরাব মীর, শাজাহান ও অন্যন্যরা বলেন, সোহেল ফকির ও তার স্ত্রী রুনা বেগম কোন শালীস ব্যবস্থার তোয়াক্কা করে না। এখানে মারামারি বা ঘর ভাঙচুর অথবা অন্য কোন ঘটনা ঘটেনি। গ্রামের পরিবেশ শান্ত রাখতে আমরা প্রশাসনের কামনা করছি।