ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দুর্ঘটনার শিকার বাসটি ৩০ ফুট গভীরে

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে এখন পর্যন্ত ৪ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, পদ্মা নদীর প্রায় ৩০ ফুট গভীরে বাসটি তলিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এখনো বহু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরির পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পরপরই ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী বাস থেকে বের হয়ে সাঁতরে উঠতে সক্ষম হন। আহত অবস্থায় উদ্ধার সাতজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে খবর পেয়ে ৫টা ২৬ মিনিটে গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ ছাড়া ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও দুটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যে পানির নিচে বাসটির অবস্থান শনাক্ত করেছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র সহায়তায় বাসটি উত্তোলনের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসটিতে মোট ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের অধিকাংশই ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় ৪৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।