× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে এ আসনে আদিবাসীদের ভোট জয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে।

রাজশাহী জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে শুধু একটি আসনেই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীই হেভিওয়েট। বাকি পাঁচটি আসনের কোনোটিতেই দুজন হেভিওয়েট প্রার্থী নেই। রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীই জনপ্রিয়। যদিও এখানে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

সাধারণ ভোটাররা জানান, এই আসনে বিএনপি-জামায়াতের তুমুল লড়াই হবে। তবে এখানে আদিবাসীদের ভোটের ফল পাল্টে দিতে পারে। এ আসনের দুটি উপজেলাতেই বিপুল সংখ্যক আদিবাসী বসবাস করেন। তাদের অধিকাংশই মূলত আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত, বাকিরা বিএনপি সমর্থক। ফলে আদিবাসীরা যেদিকে গড়াবেন, জয়ের পাল্লা সেদিকেই গড়াবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাঁচজন প্রার্থী হলেন—বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহজাহান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদ। এই পাঁচ প্রাপীর মধ্যে প্রচার চালাচ্ছেন তিনজন—শরিফ উদ্দিন, মুজিবুর রহমান ও আব্দুর রহমান। তবে লড়াই জমে উঠেছে শরিফ উদ্দিন ও মুজিবুর রহমানের মধ্যে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে আরও জানা যায়, রাজশাহীর এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে নারী দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন এবং পুরুষ দুই লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন। চারটি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ৭৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ আসনে এবার প্রথমবারের মতো বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। তবে এখানে বরাবরই বিএনপির অবস্থান শক্ত। এবার দুই প্রার্থীই শক্তিশালী হওয়ায় ভোটের লড়াই জমে উঠেছে।

রাজশাহীর এই আসনে সবচেয়ে বেশি আদিবাসী বসবাস করেন। মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ আদিবাসী। এর একটি বড় অংশ হলো আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং বাকিটা বিএনপি সমর্থক। ফলে এই আদিবাসীদের ভোটের দিকে নজর রাখছেন প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীই। তাদের ভোটে জয়-পরাজয় নির্ধারণ হবে বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা।

গোদাগাড়ীর ঋশিকুল এলাকার বাসিন্দা আলি আসগর বলেন, ‘এবার মনে হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত দুই প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। তবে জয় নির্ধারিত হতে পারে আদিবাসীদের ভোটে। ফলে ভোট পেতে তাদের কাছে দুই দলের লোকজনই যাচ্ছেন। প্রার্থীরা এখন আদিবাসীদের মন জয় করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

Link copied!