× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

যুবককে হত্যার হুমকি দিলেন রাজশাহীর পলাতক সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরী

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

রাজশাহী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। ছবি- সংগৃহীত

রাজশাহী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। ছবি- সংগৃহীত

রাজশাহী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনলাইন গ্রুপ কলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় এক যুবককে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ওই যুবকের নাম ফয়সাল সরকার অমি (৩৫)। প্রাণনাশের আশঙ্কায় বুধবার (১১ মার্চ) তিনি তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে ওমর ফারুক চৌধুরীসহ মোট ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে আত্মগোপনে থাকা ফারুক চৌধুরী অনলাইন গ্রুপ কলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে ক্ষমতায় থাকাকালে বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ নেওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে। এ সময় ফয়সাল সরকার মন্তব্য করেন, ‘টাকা আপনি খাইছেন, ওদের হাত দিয়া।’

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুক চৌধুরী তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুই সামনে পড়িস। তোর অবস্থা কিন্তু একদম খারাপ হয়ে যাবে।’

ফয়সাল সরকারের অভিযোগ, সরকার পরিবর্তনের পর থেকে ফারুক চৌধুরী বিভিন্ন সময় অনলাইনে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ৯ মার্চ রাতে তাকে গ্রুপ কলে যুক্ত হয়ে কথা বলতে বলা হয়। তিনি সেখানে যোগ দিয়ে তানোর উপজেলায় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য এবং গভীর নলকূপ প্রকল্পে অর্থ লেনদেনের বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ জানান।

অভিযোগে বলা হয়, এ সময় ফারুক চৌধুরীসহ অন্যরা তাকে গালিগালাজ করেন এবং প্রকাশ্যে ও অনলাইনে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। যেকোনো সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

৫ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ওই অডিও কথোপকথনে তানোর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সুজনের বিরুদ্ধেও চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তিনিও আত্মগোপনে রয়েছেন।

কথোপকথনে ফয়সাল সরকার দাবি করেন, তার চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে পিয়নের চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১২ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ফারুক চৌধুরী বলেন, সুজন যদি টাকা নিয়ে থাকেন, তাহলে তার (ফারুকের) নাম জড়ানোর কোনো কারণ নেই।

এ সময় ফারুক চৌধুরী বলেন, কেউ কেউ হয়তো টাকা নিয়েছে এবং দলের কাজে খরচও করে থাকতে পারে। তবে এর দায় তার ওপর চাপানো ঠিক নয়।

তবে ফয়সাল সরকার বলেন, এসব কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টদের ওপর তারই দায়িত্ব ছিল এবং সাধারণ মানুষ মনে করবে টাকা তার কাছেই গেছে। এ পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফারুক চৌধুরী তাকে চুপ থাকতে বলেন। পরে আরও উত্তেজিত হয়ে তাকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ।

তানোর থানার ওসি এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ভারতে পালিয়ে যান। সংসদ সদস্য থাকাকালে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, বেফাঁস মন্তব্য ও আচরণের কারণে তিনি প্রায়ই আলোচনায় থাকতেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!