ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার আসামি মামুন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
গ্রেপ্তার আল মামুন। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

র‌্যাবের অভিযানে টাঙ্গাইল সদর থানার নজরুল ইসলাম (৭০) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি আল মামুনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধায় সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ও সিপিসি-২, র‌্যাব-১২, পাবনা ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল পাবনা জেলার চাটমোহর থানাধীন শরৎগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। 

আজ রোববার সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মামলার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিমের সঙ্গে বিবাদীদের পূর্ব থেকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর বিকালে ভিকটিম নজরুল ইসলাম (৭০), টাঙ্গাইল সদর থানাধীন গালা সাকিনস্থ উত্তরপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন জনৈক আজমত আলীর চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়া অবস্থায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিবাদীদের সঙ্গে ভিকটিমের বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। 

একপর্যায়ে ভিকটিম উক্ত চায়ের দোকান হতে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে এজাহারনামীয় আসামিরা ভিকটিমের পথরোধ করে এজাহারনামীয় আসামির ভিকটিমের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করে মাথায় কিল-ঘুষি মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। 

স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর দুপুরে ভিকটিম নজরুল ইসলাম (৭০) মৃত্যুবরণ করেন। 

এই ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে মো. মোর্শেদ আলম (৩০) বাদী হইয়া টাঙ্গাইল জেলার সদর থানায় গত ১৯ ডিসেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা রুজুর পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সিপিসি-৩, র‌্যাব -১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্তসহ আসামিদেরকে গ্রেপ্তারে তৎপর হয়। 

এরই প্রেক্ষিতে সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ও সিপিসি -২, র‌্যাব-১২, পাবনা ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধায় পাবনা জেলার চাটমোহর থানাধীন শরৎগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান আসামি আল মামুন টাঙ্গাইল থেকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।