× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৫:২০ পিএম

নতুন পে-স্কেল নিয়ে সতর্ক করলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৫:২০ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির কারণে প্রত্যাশার তুলনায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কর আদায় বাড়ানো ছাড়া নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা হলে সরকারের ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে গিয়ে এসব কথা বলেন গভর্নর।

তিনি বলেন, সরকার বাজেটে ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিলেও ব্যাংক খাত থেকে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও আস্থার সংকটের প্রভাবে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও ঋণ গ্রহণ কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়েনি।

ড. আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারে সংশোধন আনা প্রয়োজন। তার ভাষায়, বিশ্বের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো বাংলাদেশ ব্যাংককেও নানা চাপের মুখে কাজ করতে হয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলো আর্থিক খাত সংস্কারের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, বাংলাদেশ আইএমএফের সব শর্ত পূরণ করেছে। চার বছরে আইএমএফ যে পরিমাণ ঋণ দেওয়ার কথা ছিল, তার চেয়েও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে চায় না।

চলতি অর্থবছরে বাজার থেকে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত এক বছরে ডলার সংগ্রহ করা হলেও রিজার্ভ থেকে কোনো ডলার বিক্রি করা হয়নি।

রেমিট্যান্স প্রবাহের বিষয়ে গভর্নর জানান, প্রবাসী আয় বর্তমানে ১৮ শতাংশের বেশি হারে বাড়ছে। চলতি অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হারের কারণে কিছু ব্যাংক আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বা বেসরকারি খাতে ঋণ না দিয়ে তাদের অতিরিক্ত তারল্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে আগ্রহী হচ্ছে। এতে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে তারল্য ব্যবস্থাপনা জোরদার ও আন্তঃব্যাংক বাজারে গতি ফেরাতে নীতি সুদহার করিডোরের নিম্নসীমা—স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি—৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৮ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে নীতি সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ওভারনাইট রেপো নীতি সুদহার ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন এই সুদহার কাঠামো আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!