× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে : শিক্ষামন্ত্রী

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কৃতি শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ একাডেমিক স্বীকৃতিগুলোর অন্যতম ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমাদের বিশেষ নজর ও দৃষ্টি থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত ডিন’স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাহ্মণ স্কুল  থেকে কলেজ, তার পর আস্তে আস্তে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরিত করলেন এবং আমি তখন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে, এটার জন্য আমাদেরকে বহু পলিসি মেইনটেইন করতে হয়েছে। শেষমেশ বেগম খালেদা জিয়া এটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরিত করলেন।  আমি যখন ২০০১ থেকে ২০০৬ মন্ত্রী দায়িত্বে ছিলাম তখন আমার বই ছাপা নিয়ে অনেক কষ্ট করতে হতো। আমার মনে আছে, আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গভীর রাতে বইয়ের চোরাচালান বন্ধে অভিযান করেছিলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সবসময়ই ছিল - ৫২ ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধ, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান। প্রত্যেকটা ক্রাইসিসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্যান্ড ছিল স্মরণ করার মত। এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। সেজন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমাদের নজর এবং দৃষ্টি থাকবে ইনশাল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের জন্য শুধু পাঠ্যক্রম নয়, বিতর্ক ও খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। একাডেমিক কাঠামোর মধ্যেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। আমরা ২০২৭ সালে শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার শুরু করব এবং ২০২৮ সালে একাডেমিক সিলেবাস হালনাগাদ করা হবে।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অতীত পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেছিলেন, তিনি উপাচার্যের চেয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এটি কি জাতির জন্য লজ্জাজনক নয়? শিক্ষার জন্য লজ্জাজনক নয়? তারা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি।

বর্তমান নেতৃত্বের প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজ আমরা যে নেতৃত্ব পেয়েছি, এমন নেতৃত্ব বারবার পাওয়া যায় না। দায়িত্ব পাওয়ার পর এমন কোনো দিন ছিল না, যেদিন আমি ছয় ঘণ্টা ঘুমিয়েছি। দেশের উন্নয়ন ও শিক্ষার অগ্রগতির জন্য সবাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ ডিন’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজকের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে জ্ঞানভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে বাংলাদেশ ব্যাংক সংলগ্ন একটি খালি জায়গা পড়ে আছে যেখানে স্টাফরা থাকে, এই জায়গাটা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রদানের জন্য দাবি জানিয়ে এমপি আব্দুল হামিদ বলেন, আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থাকার জন্য বেশ কিছু কাজ এখনো অসম্পূর্ণ আছে। কয়েকটি বিল্ডিং সম্পন্ন করার জন্য এখানে সাময়িক থাকার জায়গা হলে বিল্ডিংগুলো পুনঃনির্মাণে সহযোগী ভূমিকা পালন করবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের নানাবিধ সংকটের কথা তুলে ধরেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড, মেডেল ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ও অতিথিবৃন্দ।

Link copied!