× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

জুনেও মে মাসের বেতন পাবেন না যে শিক্ষকরা!

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত প্রায় দুই লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর মে মাসের বেতন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফান্ডে টাকা না থাকায় চলতি জুন মাসেও তাদের মে মাসের বেতন পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের দাবি, মে মাসের বেতন দিতে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে। অর্থ ছাড় করার চেষ্টা করছেন তারা।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে ৮ হাজার ২২৯টি। এর মধ্যে দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের মাদ্রাসা যথাক্রমে ৫ হাজার ৭৬৭, ১ হাজার ২৮৫টি ও ফাজিল ৯৯৩টি ও ১৮৪টি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। তবে তারা কেউই এখনো মে মাসের বেতন পাননি।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার পূর্বে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন প্রস্তুত করা হয়েছিল। ঈদের ছুটি শুরুর পূর্বেই সেটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা ছিল। তবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. উবায়দুল হক সে সময় সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর অনুমতি দেননি। পরবর্তীতে ঈদের ছুটি শেষে জুন মাসে বেতনের প্রস্তাব পাঠানো হলেও ফান্ডে টাকা না থাকায় বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন দিচ্ছে না মন্ত্রণালয়।

সূত্রের তথ্য বলছে, জুন মাসের শুরুতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ফান্ডে থাকা টাকা তুলে নেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এটি শুধু এই বিভাগের ক্ষেত্রে নয়; প্রতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পূর্বে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের অবশিষ্ট টাকা তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেই উদ্বৃত্ত অর্থ নতুন অর্থবছরের বাজেটে যুক্ত করা হয়। এজন্য মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের অর্থ দিতে পারছে না অর্থ মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা বেতনের সবকিছু ঈদের আগেই প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে চেয়েছিলাম। ওই সময় প্রস্তাব পাঠাতে পারলে বেতন নিয়ে এমন বিড়ম্বনা তৈরি হত না। তবে পাঠানো সম্ভব হয়নি। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ফান্ডে টাকা নেই। বাজেট ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ দেওয়ারও সম্ভাবনা নেই। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা জুনে মে মাসের বেতন পাবেন না বলেই মনে হচ্ছে।

ফান্ডে টাকা না থাকায় মাদ্রাসায় কর্মরত ১ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মে মাসের বেতনের অর্থ যোগান দিতে অর্থ বিভাগের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার বরাবর ডিও লেটার পাঠায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।  প্রায় আটদিন হতে চললেও এখনো এই চিঠির সাড়া মেলেনি বলে জানা গেছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়ার পাঠানো ডিও লেটারে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সম্প্রতি মাদ্রাসায় ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। তাদের বেতন-ভাতা দেওয়ার কারণে বাজেট ঘাটতি পড়েছে। এজন্য নতুন করে টাকা প্রয়োজন। বিষয়টি অতীব জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের বাজেট-২ শাখার উপসচিব শিহাব উদ্দিন আহমদ বলেন, ডিও লেটার দিয়ে থাকলে বিষয়টি সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে সচিব স্যার ভালো বলতে পারবেন।

Link copied!